খাদ্য নির্বাচন ও ক্রয় : বাজারে গিয়ে সরস জিনিস পছন্দ করে কেনার মধ্যেও কৃতিত্ব আছে। কিনতে গিয়ে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে তা হল:
(১) খাদ্যের মান ও গুণ বিচার করা।
(২) দাম যাচাই করে কেনা।
(৩) ভাল খাদ্য বেছে নেয়া।
(৪) মাপ ও ওজনের প্রতি লক্ষ্য রাখা।
যেকোন খাবারের রং, আকার ও গন্ধ থেকে টাটকা কি বাসি বুঝা যায়। তাজা শাকসবজির সবুজ, হলুদ, লাল ও সাদা রং মানুষকে আকৃষ্ট করে। তাজা পরিণত সবজি ডাঁসা ও কচকচে হয়। বাসি হলে শাকসবজির পানি কমে যায়। শাক নেতিয়ে যায়, সবজি ও ফলের খোসা কুচকে যায়, ডাঁসা কচকচে ভাব থাকে না। হাতে কেমন নরম নেতানো বোধ হয়। এসাথে রংও ফিকে হয়, পুষ্টিমান কমে যায়।
উন্নতমানের শাকসবজি ও ফলের পরিণত অবস্থা ও পরিপক্কতার উপর এদের গুণ বিচার করা হয়। যেমন – ফুলকপি, পালং শাক, ঢেড়স, ঝিঙ্গা, পেয়ারা, কুল ইত্যাদির সরসতা এদের আকার এবং বয়সের সাথে হয়ে থাকে। ঠিক খাওয়ার উপযোগী হলে এসব খাদ্যের পরিপক্কতা এমন হবে, যা আমরা বুঝাব ডাঁসা ও কচকচে বলে।
কেনার সময় এমন খাবার নির্বাচন করতে হবে যা পুষ্টি, রং, আকার এসব মানের বিচারে প্রথম শ্রেণীতে আসে। টাটকা ও সরস খাবারে পুষ্টিউপাদান বেশি পাওয়া যায়। বাসি, পঁচা ও পোকায় খাওয়া থাকে না বলে কুটা বাছায় খাদ্যের অপচয় হয় না। কম দামে নিম্নমানের খাদ্য ক্রয় অপেক্ষা টাটকা ও সরস খাদ্য কেনা সুবিবেচনার পরিচয়।
কোন অনুষ্ঠান উপলক্ষে বেশি লোককে খাদ্য পরিবেশনের আয়োজন করতে হলে কি পরিমাণে খাদ্য ক্রয় করা উচিত তার একটি তালিকা নীচে দেয়া হলো। পুষ্টি বিজ্ঞান মতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের দৈনিক খাদ্যের চাহিদার প্রতি দৃষ্টি রেখে খাদ্যের পরিমাণ নির্ণয় করা হয়েছে। তালিকায় একজনের প্রয়োজনীয় পরিমাণ এবং সে অনুপাতে ৫০ জনের জন্য কি পরিমাণ কেনা দরকার তা দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রতি পরিমাণ
খাদ্য
ভাতের চাল
পোলাউর চাল
ময়দা, পরটার জন্য
১০০ গ্রাম ৬০ গ্রাম
২টা পরটা
৫০ জনের জন্য পরিমাণ
৫ কেজি ৩ কেজি
২২ কেজি
৩ – ৪ প্যাকেট
* কাপ 8
নুডল্স
সেমাই, দুধ সেমাইর জন্য
– কাপ
৬০০ গ্রাম
মাছ
১০০ গ্রাম
১০০ গ্রাম
– অংশ
৫ কেজি
৫ কেজি
মাংস
মোরগের মাংস
৭টা বড় মোরগ
আলু
১টা বড়
৫ কেজি
৬ কেজি
মটরশুঁটি
কাপ
কাপ
৬টি
ফুলকপি
বাঁধাকপি
কাপ
৫টি
সালাদপাতা
২টি পাতা
৮টি গাছ
শসা
টমেটো
৪ স্লাইস
৩ স্লাইস
৪ ফালি
৩ কেজি
৫ কেজি
২ কেজি
গাজর
